ইসলামী শিক্ষাদান – যা আল কোরআন, রাসুল (সা.) হাদিস, জীবনাদর্শ ও সাহবায়ে কেরাম গনের শিক্ষাদানকারী আদর্শ, কওমী মাদরাসা সমূহের নেসাব অনুসারে আরবী, বাংলা, ইংরেজী, উর্দু, ফার্সী ভাষায় জ্ঞানার্জন অথবা ইসলাম প্রচারে সহায়ক ও পরিপূরক হবে।
কুরআন ও সুন্নাহ্র ভিত্তিতে সহিহ আকিদাহ লালন করতঃ দারুল উলূম দেওবন্দের আদলে একটি বেসরকারী ইসলামী শিক্ষালয় পরিনত করে কাওম ও মিল্লাতের হেফাজত, দ্বীনের প্রচার-প্রসার, শিরক-বিদআদ উচ্ছেদ করতঃ আল্লাহর একত্ববাদ ও সুন্নতে নববী প্রতিষ্ঠা করা।
ইলম ও আমলের মাধ্যমে মুসলিম জনসাধারণের মধ্যে ইসলামী জিন্দেগীর সহীহ নমুনা পেশ করার জন্য উপযুক্ত শিক্ষাদানের ব্যবস্থা যাতে পরস্পর মুহাব¦ত, হামদার্দী ও দয়ার মনোভাব পয়দা হবে এবং যাতে জাতির উন্নতিকল্পে আতœত্যাগের প্রেরণা ইসলামী পরিবেশ, ইসলামী জীবন ব্যবস্থা ও জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ পয়দা হয়।
জনসাধারণের মধ্যে ইসলামের প্রচার (তাবলীগ) ও শিক্ষাদানের (তা’লীম) জন্য উপযুক্ত উস্তাদ, আলীম-হাফিজ, ক্বারী, মুবাল্লিগ ও দ্বীনের খাদেম তেরী করা এবং তাদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জাতির খিদমতের উপযোগী করে গড়ে তোলা।
দ্বীনি তা’লীম ও তারবিয়াতের মানোন্নয়ন সমাজের সর্বত্র প্রয়োজনীয় দ্বীনি জ্ঞান পৌছানোর মাধ্যমে সমাজ হতে নিরক্ষরতা মূর্খতা দুরীকরণের খিদমত আঞ্জাম দান।
“একটি আলোকিত, নৈতিক ও ঈমানদার প্রজন্ম গঠন, যারা কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনায় পারদর্শী হবে এবং সমাজে ইসলামী আদর্শ ছড়িয়ে দেবে।”