আমাদের মাদরাসার বৈশিষ্ট্য সমূহঃ
* হক্কানী উলামায়ে কেরামের সরাসরি তত্বাবধানে পরিচালিত।
* মনোরম পরিবেশে মানসম্মত পাঠদান পদ্ধতি।
* পূর্ণাঙ্গ ইসলামী জীবন ও পরিচ্ছন্ন চরিত্র গঠনে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান।
* আদর্শ অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল এবং প্রশিক্ষিত শিক্ষক মন্ডলীদ্বারা শিক্ষাদান।
* নূরানী পদ্ধতিতে মাত্র চার মাসের মধ্যেই হিফজুল কুরআন বিভাগে ভর্তি সম্পন্ন।
* কিন্ডার গার্ডেন ও নূরানী পাঠ্য পুস্তকের সমন্বয়ে জেনারেল শিক্ষক দ্বারা বাংলা, ইংরেজী, অংক, ভূগোল, ইতিহাস ও সাধারণ জ্ঞান শিক্ষা দেয়া হয়।
* আরবী, বাংলা ও ইংরেজী হস্ত লিখন সুন্দর করানো।
* ক্লাশের পড়া ক্লাশে আদায়ের ব্যবস্থা এবং ক্লাসের পড়া ক্লাসেই শিখানো হয় তাই প্রাইভেট পড়ানো প্রয়োজন পড়ে না।
* এতিম-গরীব ও মেধাবীদের জন্য শর্ত সাপেক্ষে ফ্রি অধ্যায়নের সুযোগ রয়েছে।
* উন্নত ব্যবস্থাপনায় আর্ন্তজাতিক মানসম্পন্ন আধুনিক হিফয মাদরাসা।
* একটি ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষা ভিশন।
* সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র কার্যক্রম।
* মনোরম ও নিরিবিলি পরিবেশ এবং বাৎসরিক অবিভাবক সম্মেলন।
* আধুনিক শিক্ষা, আলোকিত মানুষ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়াই আমাদের দৃঢ় অঙ্গিকার।
* অভ্যন্তরীন খেলাধুলার ব্যবস্থা ও শিক্ষা সফর।
* নকল মুক্ত পরীক্ষা।
* গ্রন্থাগারের সুবিধা।
উদ্যশ্যেঃ
(ক) ইসলামী শিক্ষাদান – যা আল কোরআন, রাসুল (সা.) হাদিস, জীবনাদর্শ ও সাহবায়ে কেরাম গনের শিক্ষাদানকারী আদর্শ, কওমী মাদরাসা সমূহের নেসাব অনুসারে আরবী, বাংলা, ইংরেজী, উর্দু, ফার্সী ভাষায় জ্ঞানার্জন অথবা ইসলাম প্রচারে সহায়ক ও পরিপূরক হবে।
(খ) কুরআন ও সুন্নাহ্র ভিত্তিতে সহিহ আকিদাহ লালন করতঃ দারুল উলূম দেওবন্দের আদলে একটি বেসরকারী ইসলামী শিক্ষালয় পরিনত করে কাওম ও মিল্লাতের হেফাজত, দ্বীনের প্রচার-প্রসার, শিরক-বিদআদ উচ্ছেদ করতঃ আল্লাহর একত্ববাদ ও সুন্নতে নববী প্রতিষ্ঠা করা।
(গ) ইলম ও আমলের মাধ্যমে মুসলিম জনসাধারণের মধ্যে ইসলামী জিন্দেগীর সহীহ নমুনা পেশ করার জন্য উপযুক্ত শিক্ষাদানের ব্যবস্থা যাতে পরস্পর মুহাব¦ত, হামদার্দী ও দয়ার মনোভাব পয়দা হবে এবং যাতে জাতির উন্নতিকল্পে আতœত্যাগের প্রেরণা ইসলামী পরিবেশ, ইসলামী জীবন ব্যবস্থা ও জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ পয়দা হয়।
(ঘ) জনসাধারণের মধ্যে ইসলামের প্রচার (তাবলীগ) ও শিক্ষাদানের (তা’লীম) জন্য উপযুক্ত উস্তাদ, আলীম-হাফিজ, ক্বারী, মুবাল্লিগ ও দ্বীনের খাদেম তেরী করা এবং তাদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জাতির খিদমতের উপযোগী করে গড়ে তোলা।
(ঙ) দ্বীনি তা’লীম ও তারবিয়াতের মানোন্নয়ন সমাজের সর্বত্র প্রয়োজনীয় দ্বীনি জ্ঞান পৌছানোর মাধ্যমে সমাজ হতে নিরক্ষরতা মূর্খতা দুরীকরণের খিদমত আঞ্জাম দান।
(চ) “একটি আলোকিত, নৈতিক ও ঈমানদার প্রজন্ম গঠন, যারা কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনায় পারদর্শী হবে এবং সমাজে ইসলামী আদর্শ ছড়িয়ে দেবে।”
